নারী, পূরুষের যৌন পার্থক্য( চলুন দেখি বিজ্ঞান এই বিষয় কি বলে)

 


🖋Mujibur Rahman

=====================================

প্রথমেই বলে নেওয়া ভাল। আমাকে আলোচনার স্বার্থেই যৌনতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে হয়েছে। আর আমার উদ্দেশ্যও বহুবিবাহকে প্রমোট করা না। বরং আমি মনে করি বর্তমান প্রেক্ষাপট বহুবিবাহের পারমিশন দেয় না। সিরিয়াতে হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশে তো কোনভাবেই নয়।

====

 নারী পূরুষের এই আলোচনাটি বায়োলজি এবং সাইকোলজির উপর। কেননা বায়োলজিকে আমরা জীবন থেকে আলাদা করতে পারবো না। পুরুষরা সেক্সুয়ালী বেশী একটিভ এবং তারা বেশী স্টিমুলেটেড হয় এবং এর প্রভাব তার কাজের উপর পড়বে এটাই স্বাভাবিক। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য:

==

মানুষের যৌন তাড়ণা নির্ভর করে 'টেস্টোস্টেরণ' হরমোনের উপর যা এক ধরণের 'অ্যান্ড্রোজেন। পুরুষদের এই হরমোন তৈরীর আলাদা অঙ্গই আছে যা হল টেষ্টিস বা অন্ডকোষ। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ তৈরী হওয়ার কোন অঙ্গ নেই । যতটুকু যৌন তাড়না নারীদের আছে তা তাদের এড্রেনাল কর্টেক্স এর জোনা ফ্যাসিকুলাটা থেকে নি:সৃত এন্ড্রোজেন এর কারণে। এজন্য নারীদের যৌন তাড়না পুরুষের চেয়ে অনেক কম।


“Men have on average ten to one hundred times more testosterone than women.” (Source: Dr. Louenn Brizendine, The Female Brain, page: 89)।

===


একজন সেক্সুয়ালি একটিভ নারীর দিনে সর্বচ্চো যতো  বার যৌন তাড়না জাগ্রত হতে পারে তারচাইতে একজন পুরুষ যে সেক্সুয়ালী সবচেয়ে লেস একটিভ তারও দিনে অনেক  বেশীবার যৌন চিন্তা জাগ্রত হতে পারে-

“Sexual thoughts float through a man’s brain many times each day on average, and through a woman’s only once a day. Perhaps three to four times on her hottest days.” (Source: Dr. Louenn Brizendine, The Female Brain, page: 5)।


==

“We also know that men have two and a half times the brain space devoted to sexual drive in their hypothalamus. Sexual thoughts flicker in the background of a man’s visual cortex all day and night, making him always at the ready for seizing sexual opportunity. Women don’t always realize that the penis has a mind of its own—for neurological reasons.” (Source: Dr. Louenn Brizendine, The Male Brain, page:  24)।


==

ব্রেইনের সেক্সুয়াল ট্রিগার সেন্টার একটিভ হওয়ার ক্ষেত্রেও নারী পুরুষে ভিন্নতা আছে। একবার যৌনমিলন-এর জন্য একজন নারীর মেন্টাল প্রস্তুতি নেয়ার প্রয়োজন হয় । সে তখনই অর্গেজম এ যাবে যখন সে দেখবে তার পুরুষ পার্টনার তার সাথে একটা কমিটেড রিলেশনশিপে আছে, তার পার্টনার তাকে সিকিউরিটি দিতে পারছে। সেক্সুয়ালী একটিভ হওয়ার জন্য তাকে রিল্যাক্সড স্টেটে থাকতে হয় । একজন পুরুষের ক্ষেত্রে ব্যপারটি ঠিক উল্টো। সে যত বেশী stressed, anxiety এর মধ্যে থাকে তত বেশী সে সেক্সূয়ালী একটিভ থাকে। (Source: The Female Brain, page 78)


“Female sexual turn-on begins, ironically, with a brain turn-off. The impulses can rush to the pleasure centers and trigger an orgasm only  if the amygdala—the fear and anxiety center of the brain—has been deactivated. Before the amygdala has been turned off, any last-minute worry—about work, about the kids, about schedules, about getting dinner on the table—can interrupt the march toward orgasm.” (Source: Dr. Louenn Brizendine, The Female Brain, page: 77)।


==

এ কারণে মাল্টি টাস্কিং একজন মেয়েকে সেক্স্যুয়ালী একটিভ হতে বাধা দেয়।

“Multitasking women end up having more distractions, which occupy their brain circuits and get in the way of sexual desire. Three months after she took a new job that required long hours, another patient of mine began having trouble reaching orgasm. She didn’t have any downtime to relax with her husband, and she began faking orgasms to keep from hurting his ego. The worries and tension of her new job were interfering with her ability to relax, feel safe, and allow her amygdale to deactivate.” (Source: Dr. Louenn Brizendine, The Female Brain, page: 82)।

==

নর ও নারীর বায়লজিক্যালী ফেনোটাইপ গত পার্থক্য (কোনো জীবের বৈশিষ্ট্যগুলির বাহ্যিক প্রকাশ ওই জীবের ফেনোটাইপ বলে)ও মন্ষতাত্বিক  পার্থক্য আছে।


Neuroanatomy তে নারী ও পূরুষের মষ্তিষ্কের পার্থক্য আছে। Brain এর কোন বিশেষ অন্চলের আকারগত পার্থক্য আছে। সুক্ষ স্তরে নারী পূরুষের synaptic( যে স্থানে বৈদ্যুতিক সংকেতগুলি একটি স্নায়ু কোষ থেকে অন্য স্নায়ুতে সঞ্চারিত হয়)ধরনের ভিন্নতা আছে।এমনকি নারী, পুরুষের নিউরাল ঘনত্বের ও ভিন্নতা আছে। (স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একক এবং স্নায়বিক কলার মৌলিক একক। তারা উদ্দীপনা সংবেদন, জীবের বিভিন্ন অংশ থেকে সংকেত প্রেরণের জন্য দায়ী। )

===

Brain এর hypothalamus এর preoptic area তে sexually dimorphic nucleus

(সাধারণত, কোন জীবের যৌনতার পার্থক্যের কারণে শারীরিক পার্থক্য তৈরি হয়; উক্ত যৌন দ্বিরূপতা এই যৌনতাদ্বয়ের অভিজ্ঞতায় পৃথক ধরনের প্রাজননিক চাপ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।)দ্বারা পূরুষের যৌন আবেগ সৃষ্টি হয়।

===


Neurochemistry তেও এই দুই লিঙ্গের মধ্যে biomolecules (একটি জীবিত জীব দ্বারা উৎপাদিত অণু)এর বিতরন,নিয়ন্ত্রন, প্রক্রিয়াকরনের ভিন্ন ভিন্ন ধরন বিদ্যমান। এমনকি গবেষনায় ডোপামিন (একটি হরমোন এবং ক্যাটেকোলামাইন ও ফেনাথ্যালামিন পরিবারের একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা মানব মস্তিষ্ক ও শরীরে বহুসংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাকৃতিকভাবেই এটি মানব শরীরে উৎপন্ন হয়।) এর রেগুলেসন ও মডিফিকেশনেও অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে tyrosine hydroxylase এনজাইম যা Sry বা পূরুষ সেক্স নির্ধারনী gene দ্বারা নিয়্ন্ত্রিত ডোপামিন সংশ্লেষন করে সেটা নারীর মষ্তিষ্কে অনুপস্হিত। Brain এর amygdala অংশে norepinehrine (যা একাধারে হরমোন ও নিউরোট্রান্সমিটার)এর  মাত্রাতেও নারী পূরুষের মধ্যে পার্থক্য আছে। Roy Baumeister যিনি একাধারে অনেক বিষয়ের গবেষক যার মধ্যে যৌনবিদ্যাও আছে। উনি প্রস্তাব করেছিলেন যে,  

women's sexuality fundamentally varies from that of men. Men, he suggested, have a fixed, biologically-determined sex drive that is relatively insensitive to context. Women, on the other hand, have a much more variable sex drive, far more responsive to the surrounding circumstances।


Men’s sexual desire is driven by a desire for sexual release and orgasm, as well as pleasing their partner. While women, on the other hand, are motivated by intimacy and emotional closeness to their partners।


==

পুরুষের যৌন ইচ্ছা চালিত হয় sexual release এবং বীর্যপাত করার জন্য। যেখানে নারীরা ধাবিত হয় তার সঙ্গীর সাথে আবেগপূর্নভাবে   অন্তরঙ্গতা এবং কাছাকাছি আসার প্রবনতার দিকে।  


একজন পুরুষের শরীরের গড়ন নারীর জন্য কোন সেক্সুয়াল স্টিমুলাস নয়। বরং নারীর মাথায় কখনই প্রথমে সেক্স আসে না। একজন নারী ও পুরুষকে একসাথে বসে গল্প করতে দেখলে একজন নারী প্রথম দেখায় এদের কে বন্ধু মনে করবে। কিন্তু একজন পুরুষ তাদেরকে দেখে একটা 'kiss' anticipate করতে থাকবে। একজন নারীর অসমতল অবয়ব একজন পুরুষের জন্য সেক্সুয়াল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। পুরুষ Stimulated হয়, vision, smell, touch দ্বারা যতক্ষণ তার টেস্টোস্টেরণ সার্জ অব্যাহত থাকে, নারী Stimulated হয় শুধু মাত্র স্পর্শ দ্বারা। 

===


==


শরীরের অন্যান্য অংশে যেমন নারীপুরুষের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে, মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যপ্রণালীতেও রয়েছে বেশ কিছু ভিন্নতা। জীববিজ্ঞানের সাম্প্রতিক আবিষ্কার মানসিক প্রবণতার জৈবিক-ভিত্তি সম্পর্কে অনেক সুনির্দিষ্ট তথ্য ও উপাত্ত দিতে পারছে। 

===

নারী পুরুষের মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যকারিতার পার্থক্যও এখন অনেকটাই স্পষ্ট। এর ফলে নারীপুরুষের মানসিক জন্মগত পার্থক্যের বস্তুগত ভিত্তিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। 


শারীরিক গঠনপার্থক্য ও মিলনে কর্তব্যের বিভিন্নতাহেতু নারীপুরুষের মধ্যে যৌনবোধের পার্থক্য আছে। 

===

পুরুষের যৌনবাসনা হতে নারীর যৌনবাসনা্র এই পার্থক্যের কতকগুলি দৈহিক কারণ আছে-(ক) নারীর শুক্রকোষ নাই সুতরাং, শুক্রসঞ্চয়জাত যে উত্তেজনা পুরুষের হয়, নারীর তা হয় না। (খ) নারী ডিম্ব স্বয়ং inactive, পক্ষান্তরে পুরুষের শুক্রকীট অনেক বেশী  সকৰ্মক ও গতিশীল। তাই ডিম্বের আধার নারীদেহে ও শুক্ৰকীটের আধার নরদেহে যথাক্রমে নিষ্ক্রয়তা ও চঞ্চলতা দেখা যায়।

==

নারীদেহ,দেখে বা ভেবে  পুরুষের  যেমন sexual desire  হয়, পুরুষের  দেহদর্শনে নারীর ততটা হয় না। 

মূলত নারীরা  একাধিক পুরুষেরা প্ৰযোজন বোধ করে না। কিন্তু পূরুষরা জেনিটিক্যালি বহুগামী। 

===

 নারীকে দেখে যেভাবে পূরুষের যৌনবেগ আসে নারীর ক্ষেত্রে তা হয় না।


নারীর উলঙ্গ ছবি দেখে পূরুষের যে হারে সেক্স বৃদ্ধি পায় নারীর তা পায় না। 

==

পর্নগ্রাফী পূরুষরা যে হারে দেখে নারীরা সেই হারে দেখে না।

নারী অপেক্ষা পুরুষেরা অধিক প্ৰত্যক্ষ ও স্পষ্ট যৌন অভিজ্ঞতা কামনা করে। এই জন্যই পুরুষেরা নারীকে দেখার পূর্বেই (তাহার প্ৰত্যাশা, কল্পনা ও চিন্তায়) তীব্ৰভাবে উত্তেজিত হয়।

===

পূরুষ লেখক,কবি,চিত্র শিল্পী, ভাস্কর্য যে ভাবে নারীদেহের যৌনতা প্রকাশ করে নারী লেখক,কবি কিংবা অন্যান্য শিল্প ক্ষেত্রে যৌনতাকে প্রাধান্য দেয় না।

==


নারী ও পুরুষের মস্তিষ্কের মানস নিয়ন্ত্রণকারী অংশ এবং এই অংশের উপর প্রভাবসৃষ্টিকারী শারীরতাত্ত্বিক জৈব-রসায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জন্মগত পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য শুধু গঠন এবং আকারের নয়। বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক উপাদানের (যেমন-হরমোন) প্রতি মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রেও নারীপুরুষের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। 

===

পুরুষ নারীর চেয়ে অনেক আগ্রাসী, ইন্দ্রিয় পরায়ণ এবং উগ্র। রাগ, ক্রোধ, আবেগময় অনুভূতি, রোমান্স ইত্যাদিও স্মৃতি পুরুষের চেয়ে নারীর ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদী ও গভীর। 

==

আধুনিক নিউরো-অ্যানাটমি এবং নিউরো-ফিজিওলজি আমাদের মানসিক প্রক্রিয়ার শারীরতাত্ত্বিক ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্টতর উপলব্ধি দিতে পেরেছে। 


আমরা দেখতে পেলাম যৌন জীবনের বিভিন্ন দিকে নারী পূরুষের মধ্যে  sex drive এর অনেক পার্থক্য আছে। এখন চলেন দেখি আমাদের দেশের নারীবাদী হুমায়ুন আজাদ কি মন্তব্য করেছেন।


"...নারীর গর্ভধারণ একান্ত পাশবিক কাজ। নারীকে কি চিরকালই ধারণ ক'রে যেতে হবে গর্ভ, পালন ক'রে যেতে হবে পশুর ভূমিকা? গর্ভবতী নারী দেখতে অনেকটা গর্ভবতী পশুরই মতো, দৃশ্য হিশেবে গর্ভবতী নারী শোভন নয়, আর গর্ভধারণ নারীর জন্যে অত্যন্ত পীড়াদায়ক।..." হুমায়ূন আজাদের 'নারী' ৩২০ নং পৃষ্ঠা।

===


আচ্ছা হূমায়ুন জরায়ুর বিরোধী। তো জরায়ু যদি না হয় তাহলে তো স্ত্রী দেহে প্রজনন দ্বার বা ভালভার সমস্ত বাহ্যিক অংশ এবং কলাসমূহ যেমন  মন্স পিউবিস, পুডেন্ডাল ছিদ্র, বৃহঃ ভগোষ্ঠ, ক্ষুদ্র ভগোষ্ঠ, বার্থোলিনের গ্রন্থি, স্কেনের গ্রন্থি, ভগাঙ্কুর এবং যোনিছিদ্র এবং আভ্যন্তরীণ প্রজনন অঙ্গগুলি যেমন যোনি, জরায়ু, ফ্যালোপিয়ান টিউব, সারভিক্স , ডিম্বাশয় এগুলি তো কোনটাই থাকবে না। এগুলো ব্যতীত কেউ কি নারী হতে পারবে?


===

এখন কথা হচ্ছে নারীবাদীরা কি এখানে উল্লেখিত নারী পূরুষের মধ্যে যে বিভাজন আছে তা কি অস্বিকার করতে পারবে? বৈজ্ঞানিক ভাবে তো তা সম্ভব না।আরেকজন স্বঘোষিত নারীবাদী তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, “নারীধর্ষন করতে শিখুক, ব্যাভিচার করতে আভ্যস্ত হোক। নারী খাদকের ভূমিকায় না এলে তার ‘খাদ্য’ নামের কলঙ্ক ঘুচবে না। এখন ভাল কথার যুগ নয়, নীতিবাক্যের সময় নয়। কাটা দিয়েই আজকাল কাটা তুলতে হয়।” (নির্বাচিত কলাম, প ১১৮) একথা পড়ে তসলিমা নাসরিনের বুদ্ধির বহর দেখে তাক লেগে যায়। সে ভেবেছে – ওইভাবে নারীরাও ধর্ষন করতে শুরু করলে পুরুষরা ভীত হয়ে যাবে ও তারা ঘরের ভিতর সেঁটে যাবে। এ ধারনা তার ভুল। বরং পুরুষ তখন ধর্ষিত হওয়ার জন্য আরও বেশী করে সুযোগ খুজবে যাতে তার দোষও হবে না, অথচ তার মনের সাধও মিটে যাবে। এতে পুরুষদের দ্বিগুন মজা হবে।


তসলিমা  পুরুষ চিত্রকরদের তুলির ছোঁয়ায় শিল্প হয়ে ওঠা নিতস্ব, উরু দেখে বদলা হিসাবে নারী চিত্রকরদের আঁকতে বলেছেন পুরুষাঙ্গ। সে বলে, ‘আমরা আমোদিত হতে চাই, পুরুষ শরীর দেখে। আমরাও তৃষ্ণার্ত হতে চাই, আহ্লদিত হতে চাই।’  


কিন্তু বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষনে নারীরা কখনোই যে ভাবে তসলিমা চায় সেভাবে পূরুষকে কামনা করতে পারবেনা।


==

নারী ও পুরুষের সমতার যে তর্ক, তার কারণটা কিন্তু আমাদের ‘মাপকাঠি’র সাথে সম্পর্কিত। একজন নারীর পুরুষ হয়ে উঠতে পারছে কিনা সেটাই যেন আমাদের মানদন্ড হয়ে উঠেছে। আচ্ছা নারীরা কি নারী থাকতে চান না? আচ্ছা এই যদি হয় অবস্হা তাহলে কার দেহ বেশী ঢেকে রাখার জন্য বলা যেতে পারে?


 

আমি নারীবাদীদের মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।

Next Post Previous Post