ধর্মীয় বিশ্বাস ও burden of proof বা প্রমান করার দায়। রাসেলের চায়ের কেতলি।


🖊Mujibur Rahman

Religious Beliefs & The Burden of Proof.( Russel’s Teapot).

ধর্মীয় বিশ্বাস ও burden of proof বা প্রমান করার দায়। রাসেলের চায়ের কেতলি।

********************************

Burden of proof বিষয়টি সৃষ্টি কর্তার বিশ্বাসী ও সৃস্টি কর্তার উপর অবিশ্বাসীদের মধ্যে একটি চলমান আর্গুমেন্ট।

এবং এই আর্গুমেন্ট থেকে জন্ম নিয়েছে burden of proof fallacy. Fallacy কে বাংলায় কুযক্তি বললে বুঝতে সহজ হয়।

So let’s play 

Burden of proof fallacy game.

======

এটি একটা ডায়লগ বা কথোপকথন আকারে বলছি। দুইজন ব্যাক্তির সাথে কথা হচ্ছে আর মাঝে আমি স্বয়ং কিছু ব্যাপারে এই দুই জনের কথার মাঝে আপনাদের জন্য তাদের বক্তব্যের কিছু বিষয় পরিস্কার করছি। ঐ দুই ব্যাক্তির মাঝে একজন তৃতীয় ব্যাক্তি আছেন তাকে নিয়েই দুজনে কথা শুরু করবেন।

ব্যাক্তি দুইজনের নাম মাইকেল ও আয়েশা। হাঁ মাইকেল পূরুষ আর আয়েশা একজন নারী। তৃতীয় ব্যাক্তির নাম রনি। আর আমি মুজিব।

==

(মুজিব: আজকে আমরা একটি analogically বা উপমা দিয়ে আর্গুমেন্ট করবো যেটা Russell’s teapot নামে বিখ্যাত। রাসেল টিপট মানে রাসেলের চাএর কেতলি।এটি বারটান্ড রাসেল এর একটি আর্গুমেন্ট।

রাসেলস টিপট আর্গুমেন্টের মূল বিষয়টি হলো, যে কোনও বিতর্কে, কোনও ব্যক্তি বিতর্কিত বিষয়টি “প্রমান যোগ্যতার অক্ষম”এই যুক্তির উপর ভর করে বিষয়টি কে প্রমান করতে পারে না বরং যে ব্যাক্তি কোনও একটি বিষয়ের সঠিকতার দাবি করছে তখন যিনি বিষয়টির সত্যতা দাবি করছেন তার উপর বিষয়টির যথাযথতা প্রমান করার দায়িত্ব বর্তায় ।

Russell এর tea pot argument টি মূলত করা হয়েছে আস্তিক ধর্ম বিশ্বাসী দের unfalsifiable যুক্তি কে খন্ডন করার জন্য । 

আস্তিকদের এই unfalsifiable যুক্তি বলতে কি বোঝা যায় তা আমরা উভয়ের কথোপকথন থেকে জানতে পারবো।

চলুন দেখি রাসেল যুক্তিটি কিভাবে প্রকাশ করতে চেয়েছেন তার একটি নমুনা।)

===
মাইকেল আর আয়েশা দুইজন দুইজনকে উদ্দেশ্য করে তৃতীয় ব্যাক্তি রনির একটি দাবি নিয়ে কথা শুরু করেছেন:
==

মাইকেল: কল্পনা করুন রনি এসে আপনার কাছে বললো যে পৃথিবী আর মঙ্গল গ্রহের মাঝখানে সত্যিকার অর্থে একটি চায়না tea pot তার নীজের কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ঘুড়ছে।অর্থাৎ একটা teapot শূন্যে ঘূর্নায়মান। রনির এই দাবি কে আপনি কি বলবেন?
——

আয়েশা: আমি যৌক্তিক কারনেই রনির কাছে এর প্রমান চাইবো।আমি বলবো রনি প্রমান করুন মহাশূন্যে এই ধরনের টি-পট ঘুড়ছে।

——
মাইকেল: ধরুন আপনার প্রশ্নের জবাব রনি বললেন যে, “টি-পট টি এতোই ক্ষুদ্র যে কোনও টেলিস্কোপ বা স্যাটেলাইট দিয়েও তাকে দেখা যাবে না। পৃথিবীতে এমন কোনও উপায়ই নাই যা দিয়ে tea pot টি কে দেখা যাবে কিন্তু এটা সূনিশ্চিত যে teapot টি ঐ জায়গায় আছে।” রনি এই ভাবে যুক্তি দিলে আয়েশা আপা তখন আপনি কি বলবেন ?

——

আয়েশা: তখন আমি রনিকে জিজ্ঞাসা করবো যে,সে কোন যুক্তি তে ঐ স্হানে teapot টির অস্তিত্ব আছে সেটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। 

——

মাইকেল: ঠিক আছে আপনি রনিকে এটা জিজ্ঞাসা করলেন। কিন্তু তখন রনি আপনাকে পাল্টা যুক্তি দিয়ে বললেন যে তার দাবিমতে teapot টি ঠিক ঐ স্হানে আছে কিনা তা জানতে আপনি তার কাছে প্রমান চাইছেন কিন্তু রনির ভাষ্য মতে আমি তো বললাম teapot টি ঐ স্হানে আছে । আপনি আমার কথার সত্যতা জানতে প্রশ্ন করছেন। তারমানে আপনি আমার দাবির প্রমান চাইছেন। আপনি সন্দিহান । 

==

ঠিক আছে কিন্তু এখন আপনি আমার দাবিকে অসত্য প্রমান করে দেখান যে teapot টি ঐ জায়গায় নাই। প্রকৃতপক্ষে রনি আপনাকে বলতে চাচ্ছে যে teapot টি যে ঐ স্হানে নাই তার কোনও empirical evidence আপনি দিতে পারবেন না। এখন প্রশ্ন হলো রনির ক্লেইম করা teapot এর অস্তিত্ব কে আপনি অপ্রমানিত করতে পারছেন না সেইজন্য কি আপনি মেনে নিবেন যে teapot টি কক্ষপথে রয়েছে এবং সূর্য প্রদক্ষিন করছে? 

——

আয়েশা: না আমি মেনে নেব না।
 
——

মাইকেল: কেন মেনে নেবেন না?
 
——

আয়েশা: কারন সোজা। Teapot টির অস্তিত্বের কোনও প্রমান রনি দেখাতে পারে নাই। 
—-

মাইকেল: ওহো! কিন্তু রনি বলবে যে teapot টির অস্তিত্বহীনতার কোনও এভিডেন্সও তো আপনার কাছে নাই। এমনকি আপনি কেনও প্রমানও দিতে পারছেন না যে রনির দাবিকৃত teapot টি কক্ষপথে ঘুড়ছে না।
——

আয়েশা: এটি কোনও মেটার করে না।রনির যুক্তিটি দাঁড়িয়ে আছে এই ভিত্তিতে যে, teapot টির অস্তিত্ব আছে কি নাই সেটার প্রমানযোগ্যতার অভাবের কারনেই Tea pot টির অস্তিত্বকে অস্বিকার করা যায় না ।Not being able to disprove something is not evidence of its existence. এটি এ্যাকাডেমিক অর্গুমেন্ট না।

——

মাইকেল: ঠিক এটাই হচ্ছে রাসেলের যুক্তির মূল পয়েন্ট।কোনও কিছু কে unfalsifiable claim করে যুক্তি দেওয়া যায় না যে জিনিসটির অস্তিত্ব যেহেতু মানুষের প্রমানযোগ্যতার বাহিরে সেইহেতু বস্তুটি আছে। যেমন দাবি করা যে তুমি যেহেতু, ‘ক’ এর যে অস্তিত্ব নাই তার প্রমান দিতে পারছো না সুতরাং আমার দাবিকৃত, “ক” এর অস্বিত্ব সত্য।

== 

 রনি যদি দাবি করে যে কোনও কিছুর অস্বিত্ব আছে তখন রনির দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করতে এটা কোনও যুক্তি হলো না যে রনির দাবি অখন্ডনযোগ্য বা unfalsifiable । বরং এটি সর্বোত ভাবে গ্রহন যোগ্য যুক্তি যে রনির দাবিকে verify করতে হবে। এটাই এ্যাকাডেমিক। কেউ যদি বলে আপনার শরীরে এইডসের ভাইরাস আছে তখন আপনাকে প্রমান করতে হবে যে আপনার শরীরে সত্যই virus টি রয়েছে। এটা বলা যাবে না যে যেহেতু আপনারা virus টি সনাক্ত করতে পারেন নাই সুতরাং আমি যে দাবি করলাম virus আছে এটা সত্য।

==

 If someone claims that something exists . It is not enough to establish their point by showing that their claim cannot be falsified. It is necessary that their claim is to be verified.
==

যে কোনও দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করতে এই আর্গুমেন্ট দেওয়া যে তাদের আর্গুমেন্টকে খন্ডাতে হলে তাদের দাবি কে ভুল প্রমানিত করতে হবে তখন সেটা হয়ে যায় কুযুক্তি। যাকে বলে burden of proof fallacy ।

 Arguing that one's beliefs need to be disproven is also known as the burden of proof fallacy .

===

যেমন ধরুন কোনও বিজ্ঞানী বললেন যে তিনি আবিস্কার করেছেনএমন একটা জিনিস যেই জিনিস দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করা যাবে। তখন অন্যরা বলবেন ভাল কথা তাহলে জিনিসটা দেখান আর প্রমান করুন আপনি যা বললেন সেটা ঠিক। তখন যদি বিজ্ঞানী বলেন যে আপনারা প্রমান করুন যে আমি যা বলছি তা ভুল। বিজ্ঞানীর এই যুক্তি চলবে? চলবে না। তাই কোনও কিছুর অস্তিত্বের কথা যিনি বলেন প্রমান তাকে করতে হবে।

——

আয়েশা: জ্বী এটা ঠিক।

——-

মাইকেল: দেখা যায় রাসেল এর এই আর্গুমেন্ট এর মূল লক্ষ্য ছিল ধর্মের বিপক্ষে।
==

(মুজিব: সাধারনত মাইকেল এর শেষ বক্তব্য অনুযায়ীই এই argument টা proceed করে। সেই কারনেই যে কোনও কিছু দাবি করে তখন তার দাবিকৃত বিষয়টির প্রমান তাকেই দিতে হবে তথা burden of prove এর দায় দাবিকৃত ব্যাক্তির উপর বর্তায়।

==

কিন্তু এই বারে মাইকেল ও আয়েশার কথোপকথন একটু সুক্ষ হবে। বিষয়টি খেয়াল করতে হবে। উপরে burden of proof এর একটা আলোচনা আছে।
এবার চলুন ডুব দেই।)

==

মাইকেল: এবারে সরাসরি কথায় চলে যাই। যদি রনি এসে আপনাকে বলে যে এমন একজন সর্বশক্তিমান সত্বা আছেন যিনি সবজ্ঞ, যিনি বিশ্বের সব কিছু সৃষ্টি করেছেন, তিনি সমস্ত প্রানী সৃষ্টি করেছেন। তখন আপনি অবশ্যই আমাদের যুক্তির আলোকে তার কাছে তার এই দাবির সপক্ষে এভিডেন্স বা প্রমান চাইবেন।

===

তখন যদি প্রতিউত্তরে রনি আপনার কাছে এক ধরনের প্রমানের দাবি করে পাল্টা একটি নেগেটিভ যুক্তি দিয়ে যে, “আপনি যেই ধারা অনুসরন করে আমার দাবিকৃত সৃ্ষ্টি কর্তার অস্তিত্ব সঠিক কিনা সেটা জানতে প্রমান চাচ্ছেন তদ্রুপ আপনি প্রমান করেন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নাই। আমার সৃ্ষ্টিকর্তার অস্তিত্বের দাবি বিনাশ করতে আপনি যুক্তি হিসাবে প্রমান চাচ্ছেন তাই পাল্টা আমিও যুক্তি হিসাবে আপনাকে চ্যালেন্জ করছি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নাই সেটা প্রমান করুন”।
বিষয় টি সেই রাসেলের teapot অস্তিত্ব নাই সেটা প্রমান করার আহ্বানের মতো একটি বিষয়।

===

এটি মূলত একটি কুযুক্তি। কোনও কিছুর অস্তিত্বের যিনি ক্লেইম করেন প্রমান দায়িত্বটা তার উপর বর্তায়। তথা রনির উপর বর্তায় ।এটা তার Burden of prove । যিনি অস্তিত্বের বিষয় সন্দিহান প্রমান করার দায়ীত্ব তার না যে গডের অস্তিত্ব নাই। যিনি দাবি করছেন তাকে প্রমান করতে হবে। 
 All unfalsifiable beliefs are just as meaningless as a belief in a teapot orbiting the sun.

——

(মুজিব: আলেচনাটি জমে উঠেছে। মাইকেল যেটা বললেন সেটি এ্যাকাডেমিক সুতরাং সেটাই মানতে হবে। কিন্তু আয়েশা এক সুক্ষ,জ্ঞানী মুসলিম নারী। তিনিও জানেন মাইকেল যা বলছে সেটি সঠিক পথে রয়েছে। বিষয়টি মাথায় রেখে আয়েশা আগিয়ে আসলেন।এবং সরাসরি রাসেলের teapot argument কে চ্যালেন্জ করে বসলেন।)

——

আয়েশা: আমি রাসেলের teapot argument কে রিভার্স করবো।
—-

 মাইকেল: (চমকে আশ্চর্য ) কি ভাবে?

——

আয়েশা: ওয়েল আমি burden of proof fallacy এর বিপরীতে কোনও আর্গুমেন্ট দেবো না কিন্তু আমি বার্টান্ড রাসেল এর teapot argument যেই উদ্দেশ্য করা হয়েছে সেই উদাহরন কেই রিভার্স ইনি্জনিয়ারিং করে আস্তিকের পক্ষে নিয়ে আসবো। ( Mechanical engineeringএ reverse engineering একটি দারুন জিনিস)

——

মাইকেল: (বিস্মিত) ঠিক আছে আগিয়ে যান।

——

আয়েশা: ধরুন আমরা দুজন বৃটেনের এক গ্রামের পথ ধরে হাঁটছি যেখানে মাঠের পর মাঠ খালি পরে আছে ।কোথাও কোন জনবসতি নাই।এই বিশাল শূন্য প্রান্তরে হঠাৎ আমারা দুজনেই চমকে উঠলাম । দেখলাম একটা আধুনিক বাড়ি । খুবই নিঁখুত আর্কিট্রেকচারাল। বৃটেনে আধুনিক শহরেও এমন বাড়ি দেখা যায় না। প্রতিটি দরজা ,জানালা খুবই চমৎকার। লোনে সুন্দর ফুল গাছের বাগান।

=

তখন আমি আপনার দিকে ফিরে জিজ্ঞাসা করলাম যে আচ্ছা বলুন তো এই বিরান জায়গায় এমন একটি বাড়ি কি ভাবে হলো?

আমার এই প্রশ্নের আপনি কি জবাব দেবেন মাইকেল সাহেব?
—-

(মুজিবুর: আয়েশা ম্যাডামের এই প্রশ্নটিতে আমি একটি বিশাল যৌক্তিক বিষয়ের টের পাচ্ছি। সেটা আপনাদের কাছে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না।আয়েশা এমন একটি বিষয়ের অবতারনা করতে যাচ্ছেন যেটি Russel সাহেব চিন্তা করেন নাই এবং নাস্তিকরাও যেটা ধরতে পারে না।সেটা হলো। বর্তমান আস্তিকদের সৃ্ষ্টিকর্তার অস্তিত্বের যৌক্তিক আলেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট উঠে এসেছে। এই পয়েন্টে পূর্বে আস্তিকরা আলোচনা করতেন না ফলে রাসেল সাহেবও বিষয়টি এড্রেস করতে পারেন নাই।

===

পয়েন্ট টি হলো intelligent design argument।Intelligent design of a finely tuned universe. আয়েশা একজন বৃটেনে শিক্ষিত রিভার্টেড মুসলিমা। আয়েশা এখানে সৃষ্টিকর্তার স্বত্বার অস্তিত্বের স্বত্বার বা physical entity কে এড্রেস করতে যাচ্ছে না। অর্থাৎ তিনি বাড়িটির অস্তিত্বের উপর তার যুক্তি সাজাচ্ছে না। লক্ষ্য করুন সে কিন্তু বাড়িটির গঠন কাঠোমো,তাক পরিপাটি রুপটিকে বেশী বর্ননা করছে।

===

 সে বাড়িটির architectural design এর উপর জোর দিচ্ছে। আয়েশা Argumentative প্যারাডাইম সিফ্ট( Paradigm shift) করাচ্ছে। যেমন এখন কেউ সৃ্ষ্টি কর্তার ফিজিক্যালিটির উপর argument করে না। আর্গুমেন্ট করে বিশ্বের সুচারু ইনি্জনিয়ারিং এর উপর। আয়েশা ঐ দিকে টার্ন নিচ্ছে। আমরা ধরে নেই মাইকেল বিষয়টি বুঝেছে কিন্তু তার কি কোনও উপায় আছে আয়েশাকে ধরার? 

 চলুন দেখি বিষয়টি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। )।

আয়েশা প্রশ্ন করেছিল, “আমার এই প্রশ্নের আপনি কি জবাব দেবেন মাইকেল সাহেব?”

 

——

মাইকেল: (অনেক চিন্তা করে, আয়েশার ধারাকে বদলাতে চেয়েও) ওয়েল আমি অবশ্যই বলবো এখানে কোনও এক সময় একজন ভাল বিল্ডার এসে এই বাড়িটি বানিয়ে দিয়েছে। 

——

আয়েশা: বুঝলাম। কিন্তু আমি যদি বলি যে না এখানে কোনও বিল্ডার কখনও আসে নাই।প্রকৃতপক্ষে জ্ঞান রাখে এমন কেউই এখানে ছিল না এবং এই ধরনের জ্ঞানের এখানে কোনও হাত নাই। বাড়িটি শুন্য থেকে এখানে হয়ে গেছে।বাড়ির সকল ইন্জিনিয়ারিং, ইঁটের পর ইট দরজা,জানালা , সব কিছু নীজে নীজে বিভিন্ন দূর্ঘটনার মধ্যে দিয়ে এমন সুন্দর , নিখুঁত আকৃতি পেয়েছে। 

আমার এইরুপ কথার প্রতি উত্তরে আপনি কি জবাব দেবেন মাইকেল সাহেব?

——

মাইকেল: আপনি এভাবে এই বাড়ি টি সম্পর্কে বর্ননা করলে আমার আর কোনও উপায় নাই একজন বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হিসাবে আমি বলবে আপনি যেগুলি বলছেন এটি ননসেন্স।

——

আয়েশা: হুম। আপনি আমাকে ননসেন্স বললেন কিন্তু আমি বলি যে আমাকে ননসেন্স বলার আগে আমি যে ভাবে বাড়ি টা হয়ে গেছে বলে বর্ননা করলাম বাড়ি টা যে সেইভাবে হয় নি সেটা প্রমান করুন।
==
Mr. Michael there is nothing disproving that the house came into existence out of nothing.

——

 মাইকেল: ( উত্তেজিত হয়ে) তাহলে আমাকে বলতেই হবে আপনি burden of proof fallacy করছেন।
——-

আয়েশা: (এবার হাঁসতে হাঁসতে ইংরাজীতে) আপনি আপনার অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞান দিয়ে যেটা বুঝেছেন যেটার নিরিখে ঠিক কথা বলেছেন। কারন আমি জানেন কার্য কারনের বিষয়টি। আপনি দাবি করলেন যে পুরা বাড়িটি কোন জ্ঞানের উপস্হিতি ছাড়া, কোনও cause & effect ছাড়া বা দূর্ঘটনার মাধ্যমে কোন কিছু ছাড়াই বানান হয়ে যাওয়া টার প্রমানের ভার আমার উপর। তাহলে আপনি বলুন যখন নাস্তিকরা বলে ঐ সমগ্র বিশ্ব ঐ বাড়িটির মতো করে সৃষ্টি হয়ে গেছে তখন কি তাদের উপর burden of prove চলে আসে না?

==== 

 If the atheist can claim that the whole universe, all the planets, all the stars, all the matter, all conscious minds came out of nothing, no creator, no designer. Then why do they not share this burden of proof?

==
 Why does the atheist not have to justify this magical nothingness that somehow spawned an infinite reality the same way a theist must justify this magical being that created this infinite reality? 

===
(বাড়িটিকে ধরুন মাইকেল সাহেব। (তার সব,জানলা দরজা) বিশ্বের সব প্ল্যানেট,তারা,সমস্ত বস্তু, সকল চিন্তাশীল প্রানী এমনি এমনি হয়ে গেছে? এর কোনও বিল্ডার বা সৃষ্টি কর্তা নাই? বলুন কেন নাস্তিররা burden of prove কাঁধে নেবে না?)

——

মাইকেল: হুম দারুন পয়েন্ট।

#####

এবার তথাকথিত বঙ্গীয় নাস্তিকবর্গ আসুন আপনাদের burden of proof বাটি নিয়ে। আমি ঘটি চালান দেবো।

#########
বি:দ্র: এই রুপ আয়েশা কবে আসবে? চারিদিকে Kardashiani দের ভীড় । বাংলাদেশেও এরা।***
Next Post Previous Post